যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী রাজীব আহসান।
পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী কার্গো ভেহিকেল টার্মিনাল, ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড, পণ্য স্ক্যানিং এলাকা ও কয়েকটি পণ্যাগার ঘুরে দেখেন। একই সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ওঠানামা, খালাস প্রক্রিয়া এবং বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রাজীব আহসান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে বেনাপোল স্থলবন্দরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বন্দরের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি জানান, বন্দর পরিচালনা ও কার্যক্রমে গতি আনতে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। এর ফলে পণ্য ওঠানো-নামানো এবং খালাসের কাজে আরও শৃঙ্খলা ও দক্ষতা আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বেনাপোল বন্দরের জলাবদ্ধতা নিয়েও কথা বলেন নৌপরিবহন মন্ত্রী। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতার সমস্যা দূর করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। বৃষ্টির পানি জমে যাতে পণ্য পরিবহন ও বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
বন্দরের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারীদের সেবা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ সংশ্লিষ্টদের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বন্দরের সামগ্রিক সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।
পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নান, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমীন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান সজন এবং ৯২৫ নম্বর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহিদ আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তারা বেনাপোল বন্দরের চলমান কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
এসআর