পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া ও পাবনার নাজিরগঞ্জ নৌপথে প্রায়
দুই সপ্তাহ ধরে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে ফেরি চলাচল। বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা যায়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ২৩ জুলাই থেকে ‘কপোতী’ ফেরিটি বন্ধ থাকার পর, নদীর প্রচণ্ড স্রোতের কারণে গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা থেকে ‘ক্যামেলিয়া’ ফেরিটির চলাচলও স্থগিত করা হয়।
ফেরি বন্ধ থাকায় এই রুটে চলাচলকারী যানবাহনকে কুষ্টিয়ার লালন শাহ সেতু ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যার ফলে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রী ও পরিবহন কর্মীরা।
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার সুযোগে যাত্রীরা উত্তাল পদ্মায় ঝুঁকি নিয়ে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও স্পিডবোটে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন। স্পিডবোটের যাত্রীদের কিছু লাইফ জ্যাকেট থাকলেও ট্রলারের যাত্রীদের কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই। এছাড়া ফেরি বন্ধের অজুহাতে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নৌযানের ভাড়াও—স্বাভাবিক সময়ে ট্রলারে ৫০ টাকা ও স্পিডবোটে ১০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও এখন যথাক্রমে ৮০ টাকা ও ১৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, সাথে ট্রলারে ওঠার জন্য বাড়তি ৫ টাকা এবং মোটরসাইকেলের জন্য ২০০ টাকা দিতে হচ্ছে।
চালকেরা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে বেশি সময় ও জ্বালানি খরচের অজুহাত দিলেও বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম জানান, ইঞ্জিনের ওপর অতিরিক্ত চাপের কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে ও নিরাপত্তার স্বার্থেই আপাতত ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছে।
এসআর