[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

জয়ের খুব কাছে গিয়েও আফগানিস্তানের সঙ্গে ড্র বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ৭:৩৩ পিএম

সংগৃহীত ছবি

আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে জয়ের দারুণ সুযোগ তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

ম্যাচের শেষ দিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল সাতটি উইকেট। তবে আফগান ব্যাটারদের প্রতিরোধে সেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পঞ্চম দিনের খেলা শুরুতে তিন উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে আফগানিস্তান। বড় লক্ষ্য তাড়া করার চেয়ে উইকেট ধরে রেখে ম্যাচ বাঁচানোর দিকেই মনোযোগ দেয় দলটি। দিনের শুরুতে সেদিকুল্লাহ আতাল ও হাশমতউল্লাহ শহীদি সতর্ক ব্যাটিং করেন।

 

বাংলাদেশ অধিনায়ক একাধিকবার বোলার পরিবর্তন করেও শুরুতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। গরমের কারণে শারীরিক অস্বস্তিতে শহীদিকে একবার মাঠ ছাড়তে হয়। পরে তিনি ২০ রান করে বিদায় নেন।

 

মধ্যাহ্নভোজের আগে ইকরাম আলিখিলকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এনে দেন এবাদত হোসেন। তাঁর বলে পুল করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ইকরাম। লিটন দাস দুর্দান্তভাবে ক্যাচটি ধরেন। ইকরামের সংগ্রহ ছিল ৩৩ রান।

 

এরপর ইসমত আলম ও আতাল মিলে ৪০ রানের জুটি গড়েন। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে অধিনায়ক শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ইসমত ৪ রান করে ফেরেন। একই বোলারের শিকার হয়ে পরে সাজঘরে ফেরেন শহীদিও। দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমে তিনি করেন ৩৬ রান।

 

আফগানিস্তানের হয়ে এক প্রান্ত আগলে রেখে অসাধারণ ধৈর্যের পরিচয় দেন সেদিকুল্লাহ আতাল। দীর্ঘ সময় ব্যাট করে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ৩৩২ বল মোকাবিলা করে ১১১ রান করেন এই ওপেনার। তাঁর ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা।

 

তবে আতাল আউট হওয়ার পরও বাংলাদেশ জয় নিশ্চিত করতে পারেনি। শেষদিকে ইয়ামিন আহমাদজাই ও কায়েস আহমেদের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ম্যাচ ড্রয়ের দিকে এগিয়ে নেয় আফগানিস্তান। ফলে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও হতাশ হতে হয় বাংলাদেশকে।

 

বাংলাদেশের হয়ে এবাদত হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ তিনটি করে উইকেট নেন। হাসান মাহমুদ ও নাঈম হাসান পান একটি করে উইকেট।

এসআর

সম্পর্কিত খবর