কোচ ও অধিনায়কের আস্থার যথার্থ প্রতিদান দিয়েছেন রিশাদ হোসেন।
ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ধারাবাহিকতা না থাকলেও জাতীয় দলের হয়ে আবারও নিজের সেরা ছন্দে ফিরেছেন তিনি। অন্যদিকে, একাদশে সুযোগ পেয়ে কার্যকর বোলিংয়ে নজর কেড়েছেন শরিফুল ইসলাম। তবে হেনরি নিকোলস ও ডিন ফক্সক্রফটের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ে থাকে নিউজিল্যান্ড।
শেষ মুহূর্তে চোটের কারণে মোস্তাফিজুর রহমান না থাকায় তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানাকে নিয়ে গড়া পেস আক্রমণ শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে। সপ্তম ওভারে নিক কেলিকে ফিরিয়ে ব্রেকথ্রু আনেন শরিফুল। এরপর হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ং মিলে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ইয়ং ৩০ রান করে বিদায় নিলে সেই জুটি ভাঙে রিশাদের আঘাতে।
মধ্য ওভারে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নিউজিল্যান্ডের দিকেই ছিল। তবে মেহেদী হাসান মিরাজ টম ল্যাথামকে আউট করলে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেট ব্যাটার নিকোলসকে তুলে নিয়ে ব্যবধান কমান রিশাদ। এতে ম্যাচের গতি ঘুরে যায় টাইগারদের পক্ষে।
পরবর্তীতে শরিফুল ইসলামের শিকার হন মোহাম্মদ আব্বাস। যদিও ডিন ফক্সক্রফট প্রতিরোধ গড়ে তুলে ইনিংসকে এগিয়ে নেন। কিছুটা ভাগ্যের সহায়তা না পাওয়ায় রিশাদ আরও উইকেট থেকে বঞ্চিত হন।
শেষদিকে ফক্সক্রফটই ছিলেন বাংলাদেশের জন্য বড় বাধা। তিনি অর্ধশতক পূর্ণ করে দলের সংগ্রহ বাড়ান। ৫৮ বলে ৫৯ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি চার, যদিও পুরো ইনিংসে কোনো ছক্কা মারতে পারেনি কিউইরা।
বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন ও তাসকিন আহমেদ দুটি করে উইকেট নেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড সংগ্রহ করে ২৪৭ রান, ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৮ রান।
এসআর