[email protected] রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
৬ বৈশাখ ১৪৩৩

আরচ্যারীর উন্নয়নে সরকার ও ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়ার সমন্বয়

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়ার অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৯:১৫ এএম

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক-কে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়া। এ উপলক্ষে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল।

সাক্ষাৎকালে ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীর হাতে আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন বার্তা ও একটি বিশেষ স্যুভেনির তুলে দেন কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল। এ সময় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং বিশেষ করে আরচ্যারী খেলাটির ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আলোচনায় অলিম্পিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সাফল্যের সম্ভাবনার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আরচ্যারীকে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় খেলা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অলিম্পিকের মতো বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক অর্জনের জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি, নিরবচ্ছিন্ন ও উন্নতমানের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। এ লক্ষ্যে সরকার নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়ার প্রেসিডেন্ট কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল বলেন, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনাটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। তাঁর মতে, বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ আরচ্যারী এক্সিলেন্স সেন্টার প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়া তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক সহায়তার বিষয়টি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে জমি ক্রয়ের বিষয়েও ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়া নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসতে পারে এবং সেখানে একটি আন্তর্জাতিক মানের এক্সিলেন্স সেন্টার গড়ে তোলা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আরচ্যারী ফেডারেশন-কে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। ফেডারেশনের কাছ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল বলেন, অলিম্পিকে পদক অর্জন করতে হলে খেলোয়াড়দের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। এ বিষয়টি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগেই বাংলাদেশের আরচ্যারী আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।

 

এসআর

সম্পর্কিত খবর