নিজেদের ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে আসন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়া জাতীয় নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা।
ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা। মার্চে অনুষ্ঠিতব্য এএফসি নারী এশিয়ান কাপের আগে এই সিদ্ধান্ত সামনে আনেন তারা।
কোরিয়া প্রফেশনাল ফুটবলার্স অ্যাসোসিয়েশন (কেপিএফএ) জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে যৌথভাবে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে, যেখানে কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (কেএফএ) বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনের সময় নিম্নমানের ও অনিরাপদ সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।
ওই বিবৃতিটি গত বছরের সেপ্টেম্বরে কেএফএ-কে পাঠানো হলেও এখনো সন্তোষজনক কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নারী ফুটবলারদের দীর্ঘ সময় সড়কপথে যাতায়াত করতে হয়, বিমান ভ্রমণে ইকোনমি ক্লাসে যেতে বাধ্য করা হয় এবং অনুশীলন মাঠ থেকে অনেক দূরে অপর্যাপ্ত সুবিধাসম্পন্ন আবাসনে থাকতে হয়। এমনকি বিমানবন্দর যাতায়াত, অনুশীলনের পোশাকসহ বিভিন্ন খরচও অনেক ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের নিজস্ব অর্থে বহন করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
খেলোয়াড়রা আগেই সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, ১৭ অক্টোবরের মধ্যে ফেডারেশন থেকে কোনো স্পষ্ট জবাব না এলে তারা ম্যাচ বর্জন করবেন এবং ২০২৬ এএফসি নারী এশিয়ান কাপকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না আসায় তারা আবারও বয়কটের সম্ভাবনার কথা প্রকাশ্যে আনলেন।
আগামী ১ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় ১২ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ। গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিপক্ষ স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া, ইরান ও ফিলিপাইন।
খেলোয়াড়দের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বহু বছর ধরে নারী জাতীয় দলের সদস্যরা ‘জাতীয় দলের প্রতিনিধি’ হিসেবে নীরবে অযৌক্তিক ও নিম্নমানের ব্যবস্থাপনা মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। সেখানে পুরুষ জাতীয় দলের সঙ্গে সুযোগ-সুবিধার ব্যবধান স্পষ্ট ও অস্বীকারযোগ্য বলেও তারা দাবি করেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: