স্যামসাং নতুন ফোন গ্যালাক্সি জেড ট্রাইফোল্ড নিয়ে এসেছে, যা বিজ্ঞান কল্পকাহিনির মতো
ভাঁজযোগ্য তিন ভাগের স্ক্রিনের ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে। সংক্ষেপে মূল তথ্যগুলো:
১️ ফোনের কাঠামো ও স্ক্রিন
ট্রাইফোল্ড স্ক্রিন: দুই জায়গায় ভাঁজ করা যায়, ভাঁজ করলে সাধারণ ফোন, খুললে ট্যাবলেটের মতো।
স্ক্রিনের আকার: ১০ ইঞ্চি (জেড ফোল্ড ৭-এর ৮ ইঞ্চি স্ক্রিনের চেয়ে বড়)।
ওজন ও অনুভূতি: খোলা অবস্থায় হালকা, ভাঁজ করলে মোটা এবং ফোন ধরতে কিছুটা অস্বস্তিকর।
২️বাজার ও দাম
মার্কেটে এখনো সীমিত; মূলত প্রযুক্তি প্রদর্শন এবং কৌশলগত পরীক্ষা।
দাম অনেক বেশি হতে পারে, কারণ জেড ফোল্ড ৭-এর দাম প্রায় ২,০০০ ডলার থেকে শুরু।
৩️ ব্যবহারিক সুবিধা
কাজ ও উৎপাদনশীলতার জন্য ডিজাইন:
একসাথে একাধিক অ্যাপ চালানো যায়।
স্প্লিট স্ক্রিন ও ডেস্কটপের মতো উইন্ডো ব্যবহার করা সম্ভব।
ব্লুটুথ কিবোর্ড ও মাউস সংযোগে ছোট ল্যাপটপ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI):
গুগলের জেমিনি এআই একসঙ্গে খোলা অ্যাপের তথ্য বিশ্লেষণ করে কাজের গতি বাড়ায়।
৪️ক্যামেরা ও স্ক্রিন ভাঁজ
ক্যামেরা মান প্রায় গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রার সমমান।
স্ক্রিনে ভাঁজের দাগ আছে, তবে চোখে খুব বেশি পড়ে না।
৫️ বাজারের অবস্থা
ফোল্ডেবল ফোনের বাজার এখনো ছোট, দাম বেশি, ব্যবহার সীমিত।
প্রায় সব বড় অ্যান্ড্রয়েড নির্মাতা এখন এই ধরনের ফোন আনছে।
অ্যাপলও শিগগিরি ফোল্ডেবল ফোন আনতে পারে বলে গুঞ্জন।
গ্যালাক্সি জেড ট্রাইফোল্ড ভবিষ্যতের ফোনের একটি উদাহরণ। এখনই এটি সবার জন্য না-ও হতে পারে, তবে এটি দেখাচ্ছে স্মার্টফোনের ডিজাইন ও উৎপাদনশীলতার দিক কতদূর উন্নত হচ্ছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: