[email protected] সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
১ আষাঢ় ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী আয়োজনে বিশ্বতারকাদের উপস্থিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬ ২:২৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ।

এবারের আসরের উদ্বোধনী উৎসব একক কোনো দেশে নয়, বরং তিনটি আয়োজক দেশে ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে। ক্রীড়া আর সংস্কৃতির এই মিলনমেলায় অংশ নিতে যাচ্ছেন বিশ্বের জনপ্রিয় সংগীত তারকা ও শিল্পীরা।

 

মেক্সিকো সিটিতে বর্ণাঢ্য সূচনা

১১ জুন মেক্সিকো সিটিতে উদ্বোধনী ম্যাচের আগে আয়োজন করা হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। স্বাগতিক মেক্সিকোর প্রথম ম্যাচকে কেন্দ্র করে দেশটির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও লোকজ শিল্পকে তুলে ধরা হবে বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকরা আদিবাসী সংস্কৃতির পরিবেশনা, লোকসংগীত এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্পকর্মের প্রদর্শনী উপভোগ করবেন। পাশাপাশি সংগীত পরিবেশন করবেন বিশ্বখ্যাত পপ তারকা শাকিরা ও আফ্রিকান সংগীতশিল্পী বার্না বয়। এছাড়া ফিফার অফিসিয়াল সংগীত প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত একাধিক শিল্পীও মঞ্চে পারফর্ম করবেন।

 

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের বিরতিতেও বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজন রাখা হয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আরও কয়েকজন খ্যাতিমান শিল্পী অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

 

টরন্টোতে কানাডার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রদর্শন

১২ জুন টরন্টোতে কানাডার ম্যাচের আগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশটির বহুসাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরা হবে। এ আয়োজনে অংশ নেবেন কানাডা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় শিল্পী।

 

গান, নৃত্য এবং আধুনিক মঞ্চ পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের সামনে কানাডার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরবেন অ্যালানিস মরিসেট, আলেসিয়া কারা, মাইকেল বুবল, জেসি রেয়েজ, নোরা ফাতেহি এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ডিজে সঞ্জয়সহ আরও অনেকে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী আয়োজনে বিশ্বতারকাদের উপস্থিতি

একই দিনে লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে দর্শকদের জন্য থাকছে বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান।

 

এই আয়োজনে অংশ নেবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী কেটি পেরি, লিসা, আনিতা, ফিউচার, রেমা ও টাইলা। আয়োজকরা আশা করছেন, ফুটবলের পাশাপাশি এই সাংস্কৃতিক আয়োজনও বিশ্বব্যাপী দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করবে।

 

বিশ্বকাপের এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানগুলো শুধু ফুটবল নয়, বরং আয়োজক দেশগুলোর সংস্কৃতি, বৈচিত্র্য এবং বৈশ্বিক সম্প্রীতির এক অনন্য বার্তা বহন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

এসআর

সম্পর্কিত খবর