রজব মাসে সংঘটিত শবে মেরাজ মুসলিমদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সেই রাতে মহানবী
হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে জেরুজালেম হয়ে সপ্তম আসমানে গমন করে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছান।
মহানবীর জন্য মুসলিম উম্মতের সবচেয়ে বড় উপহার হলো পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ। শুরুতে আল্লাহ ৫০ ওয়াক্ত নামাজের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু মহানবী ও হজরত মুসা (আ.)-এর মধ্যস্থতায় তা শেষ পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্তে এসে দাঁড়ায়।
শবে মেরাজ থেকে চারটি শিক্ষা:
শোনা ও মানা:
আল্লাহর আদেশ বিনা দ্বিধায় গ্রহণ করা। মহানবী (সা.) ৫০ ওয়াক্ত নামাজের নির্দেশ বিনা প্রশ্নে মেনে নেন।
উপদেশ গ্রহণের মানসিকতা:
অন্যের কল্যাণকামী পরামর্শ গ্রহণে সদা প্রস্তুত থাকা। মহানবী মুসা (আ.)-এর উপদেশ মেনে নামাজের সংখ্যা কমানোর প্রক্রিয়া শোনেন।
উম্মতের প্রতি গভীর মমতা:
নিজের কষ্ট ভুলে উম্মতের সুবিধার কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নেওয়া। মহানবী চাননি উম্মত অতিরিক্ত কষ্টে পড়ুক।
আল্লাহর সামনে লজ্জা ও বিনয়:
আল্লাহর সামনে বিনয় থাকা উচিত। মহানবী ৫ ওয়াক্তে এসে নামাজের সংখ্যা স্থির করলে আর কমানোর জন্য ফিরে যাননি, কারণ তিনি লজ্জা অনুভব করেছিলেন।
শিক্ষণীয় বিষয়: মহানবীর জীবন থেকে শিখা যায়, আল্লাহকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া, উম্মতের কল্যাণ ভাবা এবং বিনয় ও লজ্জাবোধ বজায় রাখা।
এসআর
মন্তব্য করুন: