সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক সাবেক মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তার বিদেশে গমন নিষিদ্ধ করেছেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা অন্যদের মধ্যে রয়েছেন— সেতু বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, বিদ্যুৎ বিভাগের সাবেক সচিব আহমদ কায়কাউস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. আবদুল জলিল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব জাফর আহমেদ খান, সাবেক অর্থ ও সিএএজি সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, এসডিজি বিষয়ক সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক ও সাবেক সদস্য (সচিব) মিজ জুয়েনা আজিজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম আদালতে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রযোজ্য আইন ও বিধি উপেক্ষা করে সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট জমিতে ব্যক্তিস্বার্থে ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট বরাদ্দের নীতিমালা যথাযথভাবে প্রণয়ন না করা এবং নীতিবহির্ভূতভাবে অনুমোদন দেওয়ার পাশাপাশি গেজেট আকারে নীতিমালা প্রকাশ না করার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন।
দুদক আরও জানায়, তদন্ত চলাকালে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে -অভিযুক্তরা সপরিবারে বিদেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা দেশত্যাগ করলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত বা দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা জরুরি বলে আদালতকে অবহিত করা হয়।
এসআর
মন্তব্য করুন: