[email protected] শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
৫ বৈশাখ ১৪৩৩

আজ আকাশে রক্তিম চাঁদ, পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখবে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩ মার্চ ২০২৬ ৭:৩১ এএম

সংগৃহীত ছবি

আজ ৩ মার্চ সন্ধ্যায় বিরল এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল।

পূর্ণিমার রাতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের কারণে চাঁদ ধারণ করবে লালচে আভা, যা সাধারণভাবে ‘ব্লাড মুন’ নামে পরিচিত। নাসা জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার আকাশ থেকেও এ দৃশ্য উপভোগ করা যাবে, যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে।


চন্দ্রগ্রহণের সময়সূচি (বাংলাদেশ সময়)
পূর্ণগ্রাস শুরু: বিকাল ৫টা ২৮ মিনিট
পূর্ণগ্রাস শেষ: সন্ধ্যা ৬টা ০২ মিনিট
খণ্ডগ্রাস সমাপ্তি: রাত ৮টা ২৩ মিনিট
এই সময়ের মধ্যে চাঁদের রঙ ধীরে ধীরে বদলে গাঢ় লাল বা তামাটে আভা ধারণ করবে।


কেন বলা হয় ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’?
জ্যোতির্বিদদের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসের পূর্ণিমাকে ঐতিহ্যগতভাবে ‘ওয়ার্ম মুন’ বলা হয়। শীতের শেষে মাটি উষ্ণ হতে শুরু করলে কেঁচো ও ছোট প্রাণী মাটির ওপরে দেখা দেয়— সেই ঋতুচক্রের সঙ্গে নামটির সম্পর্ক।


অন্যদিকে, পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সূর্যের আলোকে ছেঁকে দেয়। নীল আলো ছড়িয়ে গেলেও লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়ায় তা চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছে যায়। ফলে চাঁদ রক্তিম রঙ ধারণ করে— একে বলা হয় ‘ব্লাড মুন’। এই দুই ধারণার সমন্বয়েই ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ নামটি প্রচলিত।
যেভাবে দেখবেন


চন্দ্রগ্রহণ দেখার জন্য বিশেষ কোনো সুরক্ষা চশমার প্রয়োজন হয় না। আকাশ পরিষ্কার থাকলে খালি চোখেই এটি দেখা সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে দূরবীন বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে রঙের পরিবর্তন ও ছায়ার রেখাগুলো আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়বে।


ছবি তুলতে চাইলে ট্রাইপড ব্যবহার করা ভালো। ডিএসএলআর বা মিররলেস ক্যামেরায় আইএসও সামান্য বাড়িয়ে ও শাটার স্পিড সামঞ্জস্য করে সুন্দর ছবি ধারণ করা সম্ভব।


উল্লেখ্য, পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে গ্রহণটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিমাংশ থেকেও দৃশ্যমান হবে এই চন্দ্রগ্রহণ। তবে ইউরোপ ও আফ্রিকার বেশিরভাগ এলাকা থেকে এটি দেখা যাবে না।

এসআর

সম্পর্কিত খবর