[email protected] মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
১৯ ফাল্গুন ১৪৩২

ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর সুলতানকে অপসারণে তাজুল ইসলামের চিঠির তথ্য ফাঁস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৩:১৯ পিএম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এবং

 প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে। গত ১১ জানুয়ারি তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের কাছে সুলতান মাহমুদকে অপসারণের অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি দিয়েছিলেন তাজুল ইসলাম। সম্প্রতি বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন তিনি।


​চিঠিতে আনা প্রধান অভিযোগসমূহ:
​সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম তার চিঠিতে সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন:
​তথ্য পাচার: কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ট্রাইব্যুনালের অত্যন্ত গোপনীয় ও স্পর্শকাতর তথ্য বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করার অভিযোগ।


​অশোভন আচরণ ও মারধর: হাইকোর্টের নিরাপত্তা প্রহরীকে গালিগালাজ এবং গানম্যান দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগ।
​গানম্যানদের অনীহা: তুচ্ছ কারণে যত্রতত্র গুলি করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে চারজন গানম্যান তার সাথে ডিউটি করতে অপরাগতা জানান।


​পারিবারিক নির্যাতন: নিজ স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ, যা নিয়ে তার স্ত্রী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।


​বিচারের বিঘ্ন ঘটানো: মামলার সাক্ষী ও ভুক্তভোগীদের বিভ্রান্তিকর পরামর্শ দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টির চেষ্টা।


​পাল্টা অভিযোগ ও বর্তমান পরিস্থিতি:
​চিঠির বিষয়টি সামনে আসার আগে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগের দিন সুলতান মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন। তার দাবি ছিল, তাজুল ইসলাম আর্থিক সুবিধা নিয়ে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে রাজসাক্ষী বানানোর চেষ্টা করছেন।


​সুলতান মাহমুদের বক্তব্য:
তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, "তাদের দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে আমার বিরুদ্ধে এই গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।" তাকে কোনো শোকজ বা নোটিশ না দিয়েই এসব অভিযোগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

​২০২৪ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এবং প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে। গত ১১ জানুয়ারি তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের কাছে সুলতান মাহমুদকে অপসারণের অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি দিয়েছিলেন তাজুল ইসলাম। সম্প্রতি বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন তিনি।


​চিঠিতে আনা প্রধান অভিযোগসমূহ:
​সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম তার চিঠিতে সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন:


​তথ্য পাচার: কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ট্রাইব্যুনালের অত্যন্ত গোপনীয় ও স্পর্শকাতর তথ্য বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করার অভিযোগ।
​অশোভন আচরণ ও মারধর: হাইকোর্টের নিরাপত্তা প্রহরীকে গালিগালাজ এবং গানম্যান দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগ।


​গানম্যানদের অনীহা: তুচ্ছ কারণে যত্রতত্র গুলি করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে চারজন গানম্যান তার সাথে ডিউটি করতে অপরাগতা জানান।


​পারিবারিক নির্যাতন: নিজ স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ, যা নিয়ে তার স্ত্রী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।


​বিচারের বিঘ্ন ঘটানো: মামলার সাক্ষী ও ভুক্তভোগীদের বিভ্রান্তিকর পরামর্শ দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টির চেষ্টা।
​পাল্টা অভিযোগ ও বর্তমান পরিস্থিতি:


​চিঠির বিষয়টি সামনে আসার আগে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগের দিন সুলতান মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন। তার দাবি ছিল, তাজুল ইসলাম আর্থিক সুবিধা নিয়ে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে রাজসাক্ষী বানানোর চেষ্টা করছেন।

তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, "তাদের দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে আমার বিরুদ্ধে এই গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।" তাকে কোনো শোকজ বা নোটিশ না দিয়েই এসব অভিযোগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

​২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হলে মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চিফ প্রসিকিউটর এবং বি এম সুলতান মাহমুদ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পান। গত সোমবার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাজুল ইসলামকে সরিয়ে নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে সরকার।সালের ৫ আগস্টের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হলে মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চিফ প্রসিকিউটর এবং বি এম সুলতান মাহমুদ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পান। গত সোমবার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাজুল ইসলামকে সরিয়ে নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর