অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে দেশের মানুষের আশা ও আকাঙ্ক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার হয়নি। গণভোটে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত এলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে।
শুক্রবার বিকেলে নাটোরের গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, গণভোটে অংশগ্রহণ করা নাগরিকদের দায়িত্ব। সরকার ইতোমধ্যে গণভোটের বিষয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছে।
গ্রাম পর্যায়ের মানুষও এ বিষয়ে অবগত রয়েছে এবং অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে মত প্রকাশ করছেন।
তিনি জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী সফরের পাশাপাশি সিরাজগঞ্জেও যাবেন তিনি। এসব সফরে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হবে।
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হলেও ভবিষ্যতের সরকারগুলোও এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে তিনি আশা করেন।
অতীতে রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় গিয়ে একতরফাভাবে সংস্কার করেছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এবার জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। এজন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া জরুরি।
পে-স্কেল প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের ধৈর্য ধরতে হবে। সাধারণত ১০ থেকে ১২ বছর পর পর পে-স্কেল নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও দ্রুতই একটি প্রতিবেদন পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রকল্পটি নিয়ে একনেকে আলোচনা হয়েছিল। যদিও এটি বড় প্রকল্প, তবে নির্মাণমান সন্তোষজনক।
স্টেডিয়াম পুরোপুরি প্রস্তুত হলে সেখানে নিয়মিত খেলাধুলা শুরু হবে এবং তখন এর সুফল আরও স্পষ্ট হবে।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, অর্থ বিভাগের সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এসআর
মন্তব্য করুন: