[email protected] শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
৪ মাঘ ১৪৩২

জ্বালানি সরবরাহ আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ, তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ৩:৩৮ পিএম

দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের জন্য একটি বড়

চ্যালেঞ্জ হলেও এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, এলপি গ্যাসসহ সার্বিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বর্তমানে দেশব্যাপী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।


আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলা ও ইরানে চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে প্রভাব পড়তে পারে—এ বিষয়ে সরকারের প্রস্তুতি কী, এমন প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, জ্বালানি খাতে বৈশ্বিক পরিস্থিতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।


তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে, যা সম্প্রতি সংশ্লিষ্টদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে দেশের শিল্প ও স্থানীয় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


অর্থ উপদেষ্টা আরও জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি—এই দুই খাতকে সামনে রেখে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় নিজস্ব অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান, কয়লার ব্যবহার কৌশল এবং মধ্যপাড়ার হার্ড রক কয়লার সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) একটি প্রতিবেদনে উপদেষ্টাদের তুলনায়  প্রভাব বেশি—এমন মন্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বাস্তবে অনেক অগ্রগতি হলেও সবকিছু সবসময় দৃশ্যমান হয় না। সময় ও প্রেক্ষাপটভেদে কথা বলার সাহস বা প্রবণতাও ভিন্ন হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।


তিনি আরও বলেন, সব লক্ষ্য শতভাগ অর্জিত হয়েছে—এমন দাবি করা যাবে না। কিছু ক্ষেত্রে প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। এসব বাস্তবায়নের জন্য দক্ষ জনবল, সমন্বয়, সহযোগিতা ও নিষ্ঠার প্রয়োজন, যা ছাড়া কেবল পরিকল্পনা করলেই সফলতা আসে না।


এদিনের বৈঠকে সয়াবিন তেল ও সার ক্রয়, বরিশালের একটি দুর্গম এলাকায় সেতু নির্মাণ এবং বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্যে ৬০ হাজার চালক তৈরির প্রস্তাবসহ একাধিক সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর