শুধু ভারোত্তোলন করলেই পেশী তৈরি হয়—এই ধারণা পুরোপুরি
সঠিক নয়। শরীরচর্চার পাশাপাশি সঠিক খাবার না খেলে পেশী বৃদ্ধি ধীর হয়ে যায়। আসলে আপনি সারাদিন কী খান, সেটাই ঠিক করে দেয় আপনার শরীর কত দ্রুত পেশী তৈরি ও মেরামত করতে পারবে।
পেশী বৃদ্ধির জন্য দরকার পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভালো মানের কার্বোহাইড্রেট, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং নানা ধরনের ভিটামিন ও খনিজ। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু খাবার সম্পর্কে, যেগুলো পেশী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মুরগির বুকের মাংস
পেশী গঠনের জন্য এটি অন্যতম জনপ্রিয় খাবার। এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিন থাকে, কিন্তু চর্বি খুবই কম। ব্যায়ামের আগে বা পরে মুরগির বুকের মাংস খেলে পেশীর পুনর্গঠন দ্রুত হয়। ব্রাউন রাইস বা মিষ্টি আলুর সঙ্গে খেলে শরীর দ্রুত শক্তি ফিরে পায়।
টক দই
টক দই প্রোটিনের একটি দারুণ উৎস। এতে দ্রুত ও ধীরে হজম হওয়া—দুই ধরনের প্রোটিনই থাকে, যা দীর্ঘ সময় ধরে পেশীতে অ্যামাইনো অ্যাসিড সরবরাহ করে। ব্যায়ামের পর বা রাতে ঘুমানোর আগে টক দই খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। স্বাদের জন্য এতে ফল, বাদাম বা অল্প মধু যোগ করা যেতে পারে।
ডিম
ডিমকে পুষ্টির পাওয়ারহাউস বলা হয়। এতে রয়েছে সম্পূর্ণ প্রোটিন, প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। পুরো ডিম খেলে কুসুমের পুষ্টি উপাদান প্রোটিন শোষণে সহায়তা করে, যা পেশী বৃদ্ধির জন্য খুবই উপকারী।
বাদাম ও বীজ
বাদাম ও বিভিন্ন বীজে প্রোটিনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর চর্বি ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা পেশী ও স্নায়ুর কার্যক্রম ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এগুলো দীর্ঘস্থায়ী শক্তি দেয়। নাস্তা হিসেবে, দই বা ওটসের সঙ্গে, কিংবা হোল গ্রেইন পাউরুটিতে পিনাট বাটার হিসেবে খেতে পারেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: