কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সতর্কতার মাত্রা কমানো হয়েছে।
এর ফলে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা ও বিমান ধীরে ধীরে ঘাঁটিতে ফিরতে শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রয়টার্সের বরাতে টাইমস অব ইসরায়েলের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে তিনটি পৃথক সূত্রের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে।
রয়টার্সকে জানানো এক সূত্রের মতে, বুধবার যেসব মার্কিন বিমান নিরাপত্তাজনিত কারণে ঘাঁটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, সেগুলো আবার ফিরে আসছে। এছাড়া কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, যেসব কর্মকর্তা ও কর্মীদের ঘাঁটি ত্যাগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তাদেরও পুনরায় সেখানে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করেনি।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করতে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে একটি বিমানবাহী রণতরী ও এর সঙ্গে থাকা স্ট্রাইক গ্রুপকে ওই অঞ্চলের দিকে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নির্দেশ পাওয়ার পর রণতরীটি ইতোমধ্যে যাত্রা শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার মার্কিন গণমাধ্যমের বরাতে আল জাজিরা জানায়, পেন্টাগনের নির্দেশনায় ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী এবং এর সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য কিংবা ইউরোপ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন নেই বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ভেনেজুয়েলার ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ হিসেবে গত অক্টোবর মাসে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড বিমানবাহী রণতরীকে ভূমধ্যসাগর থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল। এর ফলে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারের মতো কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ তখন সেখানে উপস্থিত ছিল না।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক মার্কিন নৌবাহিনী কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে—বর্তমানে ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে রয়েছে মাত্র ছয়টি।
এসআর
মন্তব্য করুন: