মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি থেকে ধাপে ধাপে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির একজন কর্মকর্তা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানা হবে। এই হুমকির প্রেক্ষাপটেই যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের খবর সামনে আসে।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থিত আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু মার্কিন সেনাকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যেই সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্র জানায়, অঞ্চলটির অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটি থেকেও সেনা কমানোর প্রক্রিয়া চলছে।
আল-উদেইদ ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক স্থাপনা হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করেন এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ ও যৌথ সামরিক অভিযানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
এর আগেও উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে এই ঘাঁটি থেকে সেনা সরানোর নজির রয়েছে। গত বছরের জুনে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে যুক্ত হয় এবং ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বাঙ্কার বিধ্বংসী বোমা নিক্ষেপ করে। ওই অভিযানের আগে আল-উদেইদ থেকে কিছু সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। পরে ইরান সীমিত পরিসরে ওই ঘাঁটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
এছাড়া ২০২০ সালে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার পর ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল ইরান। সেই সময় ভুলবশত একটি বেসামরিক যাত্রীবাহী বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এসআর
মন্তব্য করুন: