[email protected] শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
৪ মাঘ ১৪৩২

কী কারণে গ্রিনল্যান্ডের দখল আবশ্যক, জানালেন ট্রাম্প

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ৫:৩৫ পিএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া ও চীনের প্রভাব

ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গ্রিনল্যান্ডের জনগণের মতামতকে তিনি অগ্রাধিকারযোগ্য বলে মনে করেন না।
হোয়াইট হাউসে তেল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি ইস্যুতে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ড যদি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে না থাকে, তাহলে সেখানে চীন অথবা রাশিয়া প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাঁর ভাষায়, প্রতিবেশী হিসেবে এই দুই দেশকে যুক্তরাষ্ট্র চায় না।
তিনি আরও দাবি করেন, ১৯৫১ সালের চুক্তির আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি থাকলেও কেবল চুক্তি দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। নিরাপত্তা বজায় রাখতে হলে মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র তা না করলে অন্য শক্তিধর দেশ সেই দায়িত্ব নেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যার আয়তন প্রায় ২১ লাখ বর্গকিলোমিটারের বেশি। তবে দ্বীপটির জনসংখ্যা খুবই কম—মাত্র প্রায় ৫৭ হাজার। বাসিন্দাদের বড় অংশই ইনুইট জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকার কাছাকাছি হলেও গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এর জনগণ ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে গণ্য।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এই অবস্থানের বিরোধিতা করে আসছে।
এদিকে ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের একাধিক দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কেরই রয়েছে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর