ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ঘিরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ টানা ষষ্ঠ দিনে
প্রবেশ করেছে। দেশটির অন্তত ৫০টির বেশি শহরে এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। অভ্যন্তরীণ এই অস্থিরতা এখন আন্তর্জাতিক উত্তেজনায় রূপ নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালায় বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের সাবেক প্রধান মোহসেন রাজেই জানান, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে।
একই সুরে হুঁশিয়ারি দেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। তিনি বলেন, ইরানে আঘাত হানা হলে মার্কিন সেনারা বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, চলমান বিক্ষোভ ইরানি সরকারের দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে জনগণের গভীর অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। ১ জানুয়ারি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র এ আন্দোলনকে ইরানি জনগণের “স্বাভাবিক ক্ষোভ” হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান সরকার বহু বছর ধরে অর্থনীতি, কৃষি, পানি ও বিদ্যুৎ খাতে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেয়নি। বরং বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী ও পারমাণবিক কর্মসূচির পেছনে, যার ফলেই জনগণের মধ্যে ক্ষোভ জমে উঠেছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: