শীত মানেই উৎসবের মৌসুম। পার্টি, পিকনিক, ভ্রমণ বা বিয়েবাড়ি—প্রায় প্রতিটি বিকেলে
খাবারের আয়োজন থাকে। চপ, পাকোড়া, শিঙাড়া, চাউমিন, রোল, মোমো ইত্যাদি মেনুর অংশ। তবে এই ধরনের তেল-মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পর পেটে অস্বস্তি, গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিয়মিত খেলে রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস ও ওবেসিটির ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
যদি মাঝে মাঝে ভাজাভুজি খেতে চান, তাহলে কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি:
১. গরম পানি পান করুন
ভাজাভুজি খাওয়ার ৩০–৪০ মিনিট পর হালকা গরম পানি খেলে খাবার দ্রুত হজম হয় এবং পেটে ভারত্ব অনুভূত হয় না।
২. গ্রিন টি
তৈলাক্ত খাবারের পরে গ্রিন টি পান করলে এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড হজম প্রক্রিয়াকে সাহায্য করে। ফলে খাবারের কারণে শারীরিক অস্বস্তি কমে।
৩. টক দই
ভারী খাবারের পর এক বাটি টক দই খেলে হজম দ্রুত হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। টক দইয়ের ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক।
৪. ঠাণ্ডা খাবার এড়িয়ে চলুন
আইসক্রিম বা ঠাণ্ডা পানীয় ভাজাভুজির সঙ্গে খেলে হজম বাধাগ্রস্ত হয়। পেটে ভারত্ব ও বদহজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৫. কিছুক্ষণ হাঁটুন
ভাজাভুজি বা অন্য কোনো ভারী খাবারের পরে সরাসরি ঘুমাতে যাবেন না। খানিকক্ষণ হালকা হাঁটাচলা করলে খাবার দ্রুত হজম হয় এবং বিপাক বাড়ে।
৬. জোয়ানের পানি
খাবারের পর হালকা গরম পানিতে এক চা চামচ জোয়ান মিশিয়ে পান করলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং পেট ফাঁপা কমে। খাবারও দ্রুত হজম হয়।
এসআর
মন্তব্য করুন: