[email protected] শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
৪ মাঘ ১৪৩২

যে বিষয়গুলোর জন্য ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন নেই

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ৯:২৬ পিএম

নিজের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া বা নিজের মনের কথা শোনার সময় কি কখনো

 অপরাধবোধে ভুগেছেন? এমনটা অনেকেরই হয়। আমাদের সমাজে প্রায়ই শেখানো হয়—সবকিছুর জন্য ক্ষমা চাওয়াই ভদ্রতা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যে ভুল আপনি করেননি, তার জন্য বারবার ক্ষমা চাওয়া আত্মসম্মান ও ব্যক্তিত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কিছু বিষয় আছে, যেগুলোর জন্য কখনোই ‘দুঃখিত’ বলার দরকার নেই।


ব্যক্তিগত সীমারেখা ঠিক করার জন্য


অনেকেই অকারণে ‘সরি’ বলতে অভ্যস্ত—এমনকি নিজের মতামত প্রকাশের আগেও। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত জীবনে একটি সীমা নির্ধারণ করা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। সবাইকে আপনার সব বিষয়ে প্রবেশাধিকার দিতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। নিজের সীমারেখা রক্ষা করার জন্য কাউকে ব্যাখ্যা দেওয়া বা ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন নেই।


অতীতের ভুলের জন্য


ভুল করা মানুষের স্বভাব। তবে একটি ভুলের জন্য আজীবন অনুতপ্ত থাকা বা বারবার ক্ষমা চেয়ে যাওয়া আপনাকে সামনে এগোতে দেবে না। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে উন্নত করাই বুদ্ধিমানের কাজ। অতীতে আটকে না থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিকে মনোযোগ দিন।


নিজের জন্য সময় নেওয়ার কারণে


সবসময় ব্যস্ত না থাকাটা কোনো অপরাধ নয়।নিজের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্যসময়নেওয়া প্রয়োজন। নিজেকে একটু বিরতি দেওয়াকে স্বার্থপরতা বলা যায় না। বরং এটি জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই নিজের জন্য সময় নেওয়ার জন্য ক্ষমা চাওয়ার দরকার নেই।


নিজের অনুভূতি প্রকাশ করলে


রাগ, দুঃখ, হতাশা বা কান্না—এসব মানবিক অনুভূতি। এগুলো প্রকাশ করার জন্য ক্ষমা চাওয়া মানে নিজের আবেগকে অস্বীকার করা। অনুভূতিকে সম্মান করা এবং তা প্রকাশ করা আত্মসম্মানেরই অংশ। নিজের অনুভূতির মূল্য দিতে শিখুন।


নিজের সিদ্ধান্ত ও পছন্দের জন্য


চাকরি পরিবর্তন করা, একা ভ্রমণে যাওয়া বা নিজের মতো জীবনযাপন করা—এসব আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এসব বিষয়ে অন্যদের অনুমোদন বা ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজের জীবনের দায়িত্ব আপনারই, তাই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকুন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর