[email protected] শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
৪ মাঘ ১৪৩২

এসএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, শুরু ২১ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ৭:১৮ পিএম

সংগৃহীত ছবি

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে।

ওই দিন বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে।

তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। একই সময়সূচি অনুযায়ী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে।


পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরও জানান, ব্যবহারিক পরীক্ষা আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
সাধারণত প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি এবং এপ্রিল মাসে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও গত বছর ও চলতি বছরে সেই ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন এসেছে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
১. পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ আসনে অবস্থান নিতে হবে।


২. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
৩. প্রথমে বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) এবং পরবর্তীতে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) অংশ অনুষ্ঠিত হবে; এ দুই অংশের মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না।
4. পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন আগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।


৫. শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে পাঠাতে হবে।
৬. ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত স্থানে বৃত্ত পূরণ করতে হবে। উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
৭. বহুনির্বাচনি, সৃজনশীল/রচনামূলক এবং ব্যবহারিক—এই তিন অংশে আলাদাভাবে পাস করতে হবে।
৮. কেবল নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে। ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি থাকবে না।


৯. পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে; এতে কোনো জটিলতা হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান দায়ী থাকবেন।
১০. শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।
১১. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করতে পারবেন না।
১২. তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে।
১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
১৪. ফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে গণমাধ্যম ও শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর