জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের মাস্টার্স শেষ পর্বের শিক্ষার্থীদের পত্র কোড এন্ট্রি সংক্রান্ত একটি সমাধানকৃত বিষয়ে পুনরায় জরিমানা আরোপের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন।
তিনি এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) নিজের ফেসবুক পোস্টে অধ্যক্ষ জানান, ২০২২–২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রাণিবিদ্যা বিভাগে মাস্টার্স শেষ পর্বে ১০৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়।
ভর্তি ফি বাবদ প্রত্যেকে ৩,৮৭৫ টাকা জমা দেয়, যার মধ্যে পত্র কোড এন্ট্রির ফিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিভাগে ফিশারিজ ও ওয়াইল্ড লাইফ বায়োলজি—দুটি শাখা থাকলেও কলেজটিতে কেবল ফিশারিজ শাখার পাঠদান কার্যক্রম চালু রয়েছে।
পত্র কোড এন্ট্রির সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু কোড ওয়াইল্ড লাইফ বায়োলজি শাখায় এন্ট্রি হয়ে যায়।
বিষয়টি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে জানানো হলে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন করা হয় এবং ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সার্ভার খুলে দিলে সঠিকভাবে কোড সংশোধন করে ডাউনলোড ও সংরক্ষণ করা হয়। সে সময় কর্তৃপক্ষ আর কোনো সমস্যার কথা জানায়নি।
তবে ২২ ডিসেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পুনরায় কোড এন্ট্রির জন্য শিক্ষার্থীপ্রতি ৬০০ টাকা এবং কলেজের জন্য ৫,০০০ টাকা জরিমানাসহ মোট ৬৭,৪০০ টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। অন্যথায় রেজিস্ট্রেশন কার্ড ডাউনলোডে বাধার কথা বলা হয়।
অধ্যক্ষ বলেন, একটি সমাধানকৃত বিষয়ে পুনরায় জরিমানা আরোপ শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করবে। কুড়িগ্রামের অধিকাংশ শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় এ অর্থ বহন করা তাদের পক্ষে কঠিন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মানবিক ও শিক্ষাবান্ধব সিদ্ধান্ত নিয়ে জরিমানাটি প্রত্যাহার করবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: