[email protected] শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
৪ মাঘ ১৪৩২

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আজ, প্রতি পদের বিপরীতে ৭৫ প্রতিযোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২৬ ৯:৩৩ এএম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আজ, প্রতি

পদের জন্য লড়ছেন গড়ে ৭৫ জন
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ–২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষা আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিন পার্বত্য জেলা বাদে দেশের ৬১টি জেলায় একযোগে এই পরীক্ষা আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১০ লাখ ৮০ হাজার চাকরিপ্রার্থী।
এবার মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। ফলে প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় নামছেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার কারণে ২ জানুয়ারির নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে পরীক্ষার্থীদের সুবিধা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার কথা বিবেচনা করে আজ বিকেলে পরীক্ষাটি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রবেশপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে। দুপুর ২টার মধ্যে নির্ধারিত আসনে উপস্থিত হতে হবে। আড়াইটায় কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরপর পরীক্ষার্থীদের মধ্যে দুটি করে ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করতে পারবেন না।
পরীক্ষা কেন্দ্রে বই, নোট, কাগজ, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, ঘড়ি, পার্স, ভ্যানিটি ব্যাগসহ কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরীক্ষাকালে উভয় কান খোলা রাখতে হবে এবং কেবল কালো বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করা যাবে। আবেদনপত্রের ছবির সঙ্গে হাজিরা শিটের ছবি মিলিয়ে পরীক্ষার্থীর পরিচয় যাচাই করা হবে।
ডিপিই আরও জানায়, প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর জন্য নির্দিষ্ট ওএমআর সেট কোড আগেই নির্ধারিত, যা প্রবেশপত্রে উল্লেখ আছে। প্রশ্নপত্র ও ওএমআর ফরমের সেট কোড আলাদা হবে এবং পরীক্ষার আগে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেবে কোন কোডের প্রশ্নপত্র কোন ওএমআর কোডে দিতে হবে। ভুল কোডে উত্তর দিলে তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।
এদিকে, পরীক্ষাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানো হলে পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ—রোল প্রস্তুত, আসন বিন্যাস, প্রশ্নপত্র মুদ্রণ ও পরিবহন, উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং ফল প্রকাশ—সবকিছুই স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ব্যবস্থায় সম্পন্ন করা হয়। ফলে অনিয়মের সুযোগ নেই।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
ডিপিইর তথ্যানুযায়ী, দুই ধাপে মোট ১৪,৩৮৫টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০,৮০,০৮০টি। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ছয় বিভাগে ১০,২১৯টি পদের জন্য আবেদন করেছেন ৭,৪৫,৯২৯ জন এবং দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪,১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৩,৩৪,১৫১টি।
ফলে আজকের পরীক্ষায় প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর