[email protected] শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
৪ মাঘ ১৪৩২

বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তনে একই পরিবারের চারজনের ডিগ্রি অর্জন

বুটেক্স প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:১০ পিএম

একই পরিবারের ৪ শিক্ষার্থী

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ইতিহাসের প্রথম সমাবর্তন হয়ে উঠেছে এক পরিবারের জন্য স্মরণীয় এক অধ্যায়।

ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩৭তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মো. জাকারিয়া আলম ঝিকু এই সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করেন বিশেষ এক আনন্দ নিয়ে।

কারণ, একই মঞ্চে তার সঙ্গে ডিগ্রি গ্রহণ করেছেন পরিবারের আরও তিনজন সদস্য।

মো. জাকারিয়া আলম ঝিকুর পাশাপাশি ডিগ্রি অর্জন করেছেন তার ছোট বোন ফারিয়া নাদির যুমার, স্ত্রী নুসরাত জাহান এবং ভগ্নিপতি ফাহাদ বিন ইউসুফ।

তারা তিনজনই বুটেক্স অধিভুক্ত নোয়াখালী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী।


প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় দশক পর অনুষ্ঠিত এই প্রথম সমাবর্তন শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বুটেক্সের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজন করা হয়।

এতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ও এর অধিভুক্ত সরকারি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলো থেকে মোট ৪ হাজার ১২৬ জন গ্র্যাজুয়েটকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।

সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন হংকং পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জুংগাই ওয়াং। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ।
বর্তমানে মো. জাকারিয়া আলম ঝিকু চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।

সমাবর্তন উপলক্ষে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, বুটেক্স তার জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা একটি প্রতিষ্ঠান। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংকে তিনি হৃদয় দিয়ে ধারণ করেন এবং অর্জিত জ্ঞান ও শ্রম দিয়ে দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


উল্লেখ্য, একসময় তিনি নোয়াখালী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজেও শিক্ষকতা করেছেন—যে প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে তার স্ত্রী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিষয়টিকে এক অনন্য কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জীবনে এমন কিছু ঘটবে কখনো ভাবেননি।

পরিবারের সবাইকে একই বিষয়ে পড়াশোনা ও গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য তিনি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এর পেছনে বাবা-মায়ের ত্যাগ ও দোয়ার কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর