পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের অভিমত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের পুঁজিবাজারে যে কাঠামোগত পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের আধুনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে—এমন মন্তব্য করেছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট নেতারা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবদানের কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ১৯৯১ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য পুঁজিবাজার উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত ছিল সময়োপযোগী ও দূরদর্শী। এই সিদ্ধান্তই দেশের পুঁজিবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের দিকে এগিয়ে নেওয়ার পথ তৈরি করে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও খালেদা জিয়া গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও মানুষের স্বার্থে দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখেছেন।
বক্তারা বলেন, তার শাসনামলেই বাজারভিত্তিক ও বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি সুদৃঢ় হয়, যার সুফল আজও দেশের অর্থনীতিতে দৃশ্যমান।
ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, ১৯৯০-এর দশকে বেসরকারি খাতের যে প্রসার শুরু হয়, তা দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতায় বড় ভূমিকা রেখেছে। একই সময়ে পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
ডিএসই ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুঁজিবাজারের জন্য একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি হয়, যা বাজার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএসইসি, বিএপিএলসি ও অন্যান্য পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। তারা বলেন, খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অংশ।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয় এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।
এসআর
মন্তব্য করুন: