রাজধানীর শনি আখড়া এলাকায় দীর্ঘদিনের জনভোগান্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার অবসান হয়েছে। আয়েশা সুপার মার্কেটের সামনে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো ইতিমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে নেওয়া এ উদ্যোগে স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিনের নির্দেশনায় এবং ৬০ নম্বর ওয়ার্ডের মো. নুরুল ইসলাম (নুর মজুমদার)-এর সার্বিক সহযোগিতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
০২ সেপ্টেম্বর শনি আখড়ার আয়েশা সুপার মার্কেটের সামনে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো অপসারণ করা হয়। স্থানীয় এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে জনকল্যাণে দীর্ঘদিনের সমস্যাটি সমাধানে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
খুঁটি অপসারণে স্বস্তি জনমনে, ব্যস্ত শনি আখড়া এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছিল। বিশেষ করে আয়েশা সুপার মার্কেটের সামনের অংশে পথচারীদের চলাচল ও যানবাহনের স্বাভাবিক গতিতে এর প্রভাব পড়ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
খুঁটিগুলো অপসারণের পর ওই অংশটি তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত হয়েছে। ফলে পথচারীদের চলাচলে স্বস্তি আসার পাশাপাশি এলাকার সামগ্রিক পরিবেশেও ইতিবাচক পরিবর্তন হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
এবার নজর হকার ও অটোরিকশায়, তবে এলাকাবাসীর মতে, শনি আখড়ার জনভোগান্তির আরও দুটি বড় কারণ রয়েছে—অবৈধ হকার এবং অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশা চলাচল ও অবস্থান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফুটপাত ও সড়কের বিভিন্ন অংশে হকারদের দখলের কারণে পথচারীদের চলাচলে সমস্যা হয়। অন্যদিকে সড়কের ওপর যত্রতত্র অটোরিকশা দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচলের কারণে সৃষ্টি হয় যানজট ও ভোগান্তি।
তাদের প্রত্যাশা, বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের পর এবার অবৈধ হকারদের নিয়ন্ত্রণ এবং অটোরিকশা চলাচল সুশৃঙ্খল করার উদ্যোগ নেওয়া হলে শনি আখড়ার মানুষের দুর্ভোগ আরও অনেকটাই কমবে।
এলাকাবাসী মনে করছেন, দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা গেলে শনি আখড়ার চেহারায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা, যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করা গেলে এলাকার নাগরিক সুবিধাও বাড়বে।
তাদের ভাষ্য, বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের উদ্যোগের পর এখন হকার ও অটোরিকশার বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে এলাকাবাসী আরও ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন। এতে যানজট ও জনদুর্ভোগ কমার পাশাপাশি শনি আখড়ার সার্বিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনস্বার্থে নেওয়া এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং শনি আখড়ার অন্যান্য দীর্ঘদিনের সমস্যারও সমাধান হবে।
একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা ইতিমধ্যে দূর হয়েছে। এখন হকার ও অটোরিকশার অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে এলে শনি আখড়ায় আরও স্বস্তি ফিরবে—এমন প্রত্যাশাই স্থানীয়দের।
এসআর