কক্সবাজারে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে লবণ চাষিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গত তিন দিনে উৎপাদিত এবং মাঠ পর্যায়ে জমা করা বিপুল পরিমাণ লবণ বৃষ্টির পানিতে গলে মিশে গেছে। বিশেষ করে কক্সবাজার সদর, ঈদগাঁও,
পেকুয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ লবণ মাঠ লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন প্রান্তিক চাষিরা।
অনেক চাষি ঋণ নিয়ে এই চাষাবাদ শুরু করলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সব হারিয়ে এখন দিশেহারা। নতুন করে উৎপাদন উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে অন্তত ৫ থেকে ৭ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
বিসিকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে দেশে প্রায় ২৭ লাখ ১৫ হাজার টন লবণের চাহিদা রয়েছে। কক্সবাজার ও বাঁশখালীর প্রায় ৬৯ হাজার একর জমিতে ৪১ হাজারেরও বেশি চাষি এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছেন।
মহেশখালী থেকেই দেশের মোট উৎপাদনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ লবণ আসে। বিসিক কক্সবাজারের উপমহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া জানান, লোনা পানি মিষ্টি হয়ে যাওয়ায় পুনরায় উৎপাদন শুরু করতে শ্রম ও ব্যয় উভয়ই বাড়বে, যা জাতীয় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও শঙ্কার সৃষ্টি করতে পারে।
এসআর