চুয়াডাঙ্গা জেলায় শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা বেড়েছে।
মাঝে মাঝে সূর্যের দেখা মিললেও হিমেল বাতাস ও কুয়াশার কারণে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। শীতের দাপটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও ছিন্নমূল মানুষ। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে অনেককে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৭ শতাংশ। টানা দুই দিন ধরে এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।
শহরের রিকশা ও ভ্যানচালকদের ভাষ্য, ঠান্ডা বাতাসের কারণে রাস্তায় চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। যাত্রীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রচণ্ড শীতের কারণে অনেক মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না, ফলে আয়-রোজগার মারাত্মকভাবে কমে গেছে।
দামুড়হুদা উপজেলার বাস্তপুর গ্রামের পাখিভ্যান চালক মঞ্জিল আলী জানান, গত দুই দিনে তার আয় হয়েছে মাত্র ২৫০ টাকা। অথচ শীত শুরুর আগে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত আয় হতো। তিনি বলেন, এভাবে শীত দীর্ঘ হলে নিম্নআয়ের মানুষের জীবন চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, চলমান শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে। তার মতে, আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ওঠানামা করার সম্ভাবনা রয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: