পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় চলমান শীত মৌসুমে তাপমাত্রা কিছুটা ওঠানামা
করলেও শীতের প্রকোপ কমছে না। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের ঠান্ডা বাতাসে জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালকসহ শিশু ও বৃদ্ধরা।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার। সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। ভোর থেকেই পুরো জেলা ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে।
এর আগের দিন বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওই দিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬ থেকে ৮ কিলোমিটার। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুরের দিকে সূর্যের দেখা মিললেও শীতের অনুভূতি তেমন কমেনি।
আজ ভোর থেকে জেলার গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়কগুলো ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং মহাসড়কে যানবাহনগুলোকে ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত কয়েক দিন ধরে এলাকায় তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। তবে উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আগামী কয়েক দিনেও এ ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে বলে তিনি জানান।
এসআর
মন্তব্য করুন: