[email protected] শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
৪ মাঘ ১৪৩২

চুয়াডাঙ্গায় শীতে বাড়ছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ জানুয়ারি ২০২৬ ৯:১৮ পিএম

সংগৃহীত ছবি

চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, জ্বর, সর্দি-কাশিসহ নানা অসুখে প্রতিদিনই জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে রোগীর ভিড় বাড়ছে।


হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানান, সীমিত জনবল নিয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের চরম চাপের মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যাশিত সময় অনুযায়ী সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে বলে রোগীদের অভিযোগ রয়েছে।


চুয়াডাঙ্গায় চলতি শীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

দিনের পর দিন ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকায় সূর্যের দেখা মিলছে না। পাশাপাশি উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের কারণে কনকনে শীতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ রোটাভাইরাসসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের এক নার্স রানী বেগম জানান, ডিসেম্বরের শুরু থেকেই ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ জন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে এবং কোনো কোনো দিন মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২০০ থেকে ৩০০ জনে পৌঁছাচ্ছে।

লোকবল সংকট থাকলেও ওষুধ ও স্যালাইনের কোনো ঘাটতি নেই বলে তিনি জানান।


এদিকে শিশু ওয়ার্ডেও জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় চারগুণ বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রসূতি বিভাগেও রোগীর চাপ বাড়ছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।


শীতকালীন রোগের ঝুঁকি প্রসঙ্গে সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহযোগী

অধ্যাপক ডা. আকলিমা খাতুন বলেন, শীতের এ সময় গর্ভবতী নারী, নবজাতক ও শিশুদের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীরা বাড়তি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকেন।

তিনি সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান। তবে এখন পর্যন্ত ডায়রিয়া বা নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর