ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ রেকর্ডিং ডিভাইস নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, এই ধরনের সিদ্ধান্ত অতীতের দমনমূলক কৌশলেরই পুনরাবৃত্তি এবং তা গ্রহণযোগ্য নয়।
এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, অন্যায় ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় যেমন ইন্টারনেট বন্ধ করে অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা হয়েছিল, এখনো একই পথে হাঁটার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন—কার প্ররোচনায় নির্বাচন কমিশন আবার সেই অন্ধকার পথে যেতে চাইছে?
ডা. শফিকুর রহমানের দাবি, ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রের চারশ গজের মধ্যে সব ধরনের ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ও রেকর্ডিং ডিভাইস নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আগে যেমন এ ধরনের সিদ্ধান্ত মানা হয়নি, এবারও তা মেনে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
একই বক্তব্যে তিনি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সন্ধ্যার আগেই যদি সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার না করা হয় এবং এতে করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়, তাহলে আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবে সংশ্লিষ্টরা। এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
জামায়াত আমির আরও বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলনে যারা ভূমিকা রেখেছেন তারা এখনো সতর্ক ও সক্রিয় আছেন। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার যে কোনো চেষ্টা প্রতিহত করা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি বলেন, দেশকে আবার দমনমূলক শাসনের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও তা রুখে দেওয়া হবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: