দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সুনামগঞ্জ
জেলা বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের ১৪ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও সদস্য (স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত) আব্দুল হকের স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি চিঠির মাধ্যমে এই বহিষ্কার আদেশ জারি করা হয়।
বহিষ্কৃত নেতাদের তালিকা:
প্রথম দফায় বহিষ্কৃত ৯ নেতা (বিশ্বম্ভরপুর ও দক্ষিণ বাদাঘাট এলাকা):
১. মো. বকুল মিয়া (যুগ্ম আহ্বায়ক, দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়ন বিএনপি)
২. ফরিদ উদ্দিন (সাবেক সদস্য, দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়ন বিএনপি)
৩. উছমান গণি (সদস্য, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপি)
৪. রমজান আলী (৪র্থ যুগ্ম আহ্বায়ক, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপি)
৫. সুকেশ দেবনাথ (সদস্য, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপি)
৬. মো. জাকির হোসেন (যুগ্ম আহ্বায়ক, ধনপুর ইউনিয়ন বিএনপি)
৭. বুরহান উদ্দিন (সদস্য, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপি)
৮. জিল্লুর রহমান তালুকদার (সাবেক সদস্য সচিব, বিশ্বম্ভরপুর জাতীয়তাবাদী সৈনিক দল)
৯. মোজাম্মিল হক (সদস্য, ফতেহপুর ইউনিয়ন বিএনপি)
দ্বিতীয় দফায় বহিষ্কৃত ৫ নেতা (সুনামগঞ্জ সদর ও পৌর এলাকা):
১০. আস. ম. খালিদ (সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপি)
১১. অ্যাডভোকেট আমিরুল হক (সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, জেলা বিএনপি)
১২. মইনুল হক (সাবেক সভাপতি, গৌরারং ইউনিয়ন বিএনপি)
১৩. ইছাক আলী (সদস্য, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি)
১৪. আব্দুল মজিদ (সদস্য, পৌর বিএনপি)
সাংগঠনিক কঠোরতা
বহিষ্কার আদেশে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সাংগঠনিক ঐক্য বজায় রাখতে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহিষ্কৃত নেতারা বিএনপির কোনো স্তরের কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল হক জানান, "নির্বাচনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রমাণ পেলে প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এসআর
মন্তব্য করুন: