জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের
পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, "এটি একটি নতুন বাংলাদেশ, এখানে কাউকে প্রশ্নের বাইরে রাখা হবে না এবং নতুন করে কাউকে স্বৈরাচার হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার রাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের ফুলবাড়ি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের প্রধান পয়েন্টসমূহ:
বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ: সারজিস আলম অভিযোগ করেন যে, বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন বড় ধরনের ঋণখেলাপি। তিনি দাবি করেন, এই প্রার্থীরা ব্যাংক থেকে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছেন।
সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ: তিনি উল্লেখ করেন যে, শেরপুরে চার দিন আগে জামায়াত নেতাকে হত্যার ঘটনা এবং গত দেড় বছরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে দুই শতাধিক কর্মী নিহতের ঘটনা দুঃখজনক। তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে নিজেদের কর্মীদের মধ্যে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানান।
প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান: তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, তারা প্রতিহিংসা বা 'কামড়াকামড়ির' রাজনীতি করতে আসেননি। যদি তাদের জোটের প্রতীক 'শাপলা কলি' বিজয়ী হয়, তবে অন্য দলের ভোটাররাও কোনো অন্যায়ের শিকার হবেন না বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
জবাবদিহিতার বাংলাদেশ: সারজিস আলম জোর দিয়ে বলেন, ক্ষমতা পাওয়ার আগেই যারা বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটপাট করে, তাদের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ নয়। তাই প্রতিটি কর্ম ও অর্থের হিসাব দিতে হবে।
পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম ১১-দলীয় জোটের (যাতে জামায়াতে ইসলামীও অন্তর্ভুক্ত) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। যদিও দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক রয়েছে, তবে রাজনৈতিক ময়দানে সারজিস আলম সংস্কার ও স্বচ্ছতার প্রশ্নে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করছেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: