দীর্ঘ দুই দশক পর গাজীপুরের মাটিতে পা রাখছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে গাজীপুরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ী মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো গাজীপুর জেলা ও মহানগর বিএনপিতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ
তারেক রহমানের আগমনী বার্তায় উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। দীর্ঘ ২০ বছর পর প্রিয় নেতাকে সামনে থেকে দেখার এবং তার দিক-নির্দেশনা শোনার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন তারা। ইতোমধ্যে গাজীপুরের পাঁচটি উপজেলা ও মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ নির্মাণ করে সাজানো হয়েছে।
জনসভার প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা
গাজীপুর মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে জনসভার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। রাজবাড়ী মাঠে তৈরি করা হয়েছে সুউচ্চ ও সুসজ্জিত মঞ্চ। মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার জানান, এই জনসভায় ২ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে তারা আশা করছেন। বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলীয় স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
৩১ দফার গুরুত্ব ও নির্বাচনের রোডম্যাপ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তারেক রহমানের এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়্যেদুল আলম বাবুল জানান, তারেক রহমান এই জনসভা থেকে দেশের উন্নয়নে ঘোষিত '৩১ দফা' বাস্তবায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেবেন। বিশেষ করে কৃষি, শিল্পায়ন এবং বেকারত্ব দূরীকরণে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এই সভায় গুরুত্ব পাবে।
নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা
বিএনপি চেয়ারম্যানের সফর উপলক্ষে জেলা পুলিশ ও মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। টঙ্গী থেকে চৌরাস্তা হয়ে শিববাড়ী ও রাজবাড়ী মাঠ পর্যন্ত সড়কে যেন যানজট সৃষ্টি না হয়, সেজন্য বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।
আজ সন্ধ্যা নাগাদ তারেক রহমান রাজবাড়ী মাঠে পৌঁছাবেন এবং জনসভায় ভাষণ দেবেন। এর আগে তিনি ময়মনসিংহে অন্য একটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: