[email protected] শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

জনগণ পুরোনো রাজনীতিতে ক্লান্ত: ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ৪:৪২ পিএম

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ- বিশেষ করে তরুণ সমাজ ও নারীরা- আর পুরোনো ও বস্তাপচা রাজনীতি দেখতে আগ্রহী নয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত বিজয়ী হলে বেকার ভাতার পরিবর্তে যোগ্যতা অনুযায়ী টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে নারীরা প্রকাশ্যে বলছেন-তারা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিতে চান, কারণ তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান।

তিনি দাবি করেন, অতীতের সরকারগুলো দাঁড়িপাল্লার প্রতীক সহ্য করতে পারেনি বলেই একসময় তা নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার ভাষায়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ন্যায়বিচার ও ভারসাম্যের প্রতীক; এটি প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজে ইনসাফ কায়েম হবে।


জনসভায় শহীদ আবরার ফাহাদ, শহীদ হাদী এবং জুলাই আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, তারা শারীরিকভাবে না থাকলেও তাদের আদর্শ থেকেই আজ অসংখ্য সচেতন ও প্রতিবাদী তরুণের জন্ম হচ্ছে। প্রত্যেক তরুণ যেন একেকজন আবরার ও হাদী হয়ে ওঠে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।


কুষ্টিয়া অঞ্চলের নদী সংকট ও খনন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির বলেন, নদী আমাদের কাছে সন্তানের মতো। নদীর ওপর দেশের ভৌগোলিক ভারসাম্য, কৃষি ও অর্থনীতি নির্ভরশীল। অথচ পরিকল্পিত অবহেলা ও দুর্নীতির মাধ্যমে ধীরে ধীরে নদীগুলোকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে মামলার সংখ্যা ছিল মাত্র আটটি, যেখানে সর্বোচ্চ এক থেকে দুইজন আসামি ছিলেন। অথচ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে শত শত নেতাকর্মীকে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


সমাবেশের শেষ পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর