[email protected] সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন, মানতে হবে যেসব নিয়ম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৭:১৩ পিএম

সংগৃহীত ছবি

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের ভ্রমণের সুযোগ চালু হচ্ছে।

এ উপলক্ষে দ্বীপে পর্যটক استقبال ও ব্যবস্থাপনা ঘিরে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এই দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত, জাহাজ চলাচল ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

 

নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন।

 

জাহাজ চলাচলে অনুমোদন বাধ্যতামূলক

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্টমার্টিনগামী নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না।

 

নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে চলবে পর্যটকবাহী জাহাজ

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, টেকনাফের পরিবর্তে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করবে।

 

প্রতিদিন পর্যটক যাওয়ার সীমা

দ্বীপটির পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় পর্যটকের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। নির্দেশনায় প্রতিদিন গড়ে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ জন পর্যটক যাওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

জনপ্রতি দিতে হবে ১০০ টাকা

সেন্টমার্টিনে ভ্রমণের জন্য প্রত্যেক পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি হিসেবে ১০০ টাকা দিতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬-এর ২৬ নম্বর বিধি অনুযায়ী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

 

আগের নির্দেশনাও কার্যকর থাকবে

মন্ত্রণালয়ের ২২ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনাগুলোও বহাল থাকবে। নতুন সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবং ট্যুরিস্ট পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এই দ্বীপের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যেই এসব বিধিনিষেধ কার্যকর করা হচ্ছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর