[email protected] শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ৮:৩২ পিএম

সংগৃহীত ছবি

ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ, মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের চর্চার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সমাজ আরও সমৃদ্ধ হবে।

 

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এক শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান।

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, পৃথিবীতে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা এবং অশুভ শক্তির বিনাশের উদ্দেশ্যে দেবী দুর্গার আগমন ঘটে। অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে সত্য ও সুন্দরের জয়গানই দুর্গোৎসবের অন্যতম প্রধান শিক্ষা।

 

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার ও উৎসব পালন করে আসছেন। উৎসবের এই স্বাধীনতা দেশের ঐতিহ্য, সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করে।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার সব ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। তাই নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি অনুসরণের পাশাপাশি অন্যের বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, পারস্পরিক সহমর্মিতা বজায় রাখা এবং সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।

 

তিনি বলেন, বহু মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশ আবার গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে চলেছে। একই সঙ্গে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

 

তারেক রহমান বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ, মানবিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এ ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয় বা দলীয় মতের ভিত্তিতে কোনো নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়া উচিত নয়।

 

দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সর্বত্র যেন মানুষ আনন্দ, উৎসাহ ও নিশ্চিন্ত পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন। সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখার আহ্বানও জানান তিনি।

এসআর

সম্পর্কিত খবর