[email protected] বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সরাকরি কর্মকর্তা কর্মচারীর বেতন বাড়ছে দ্বিগুণ!

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩ জুন ২০২৬ ১০:০৮ পিএম

সংগৃহীত ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা এগিয়ে চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ বরাদ্দের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।


যদিও এখনো সরকারিভাবে নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়নি, তবুও এ বিষয়ে নানা তথ্য সামনে আসায় সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না থাকায় অনেকের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তাও রয়েছে।


জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার সম্ভাব্য সময় ধরা হচ্ছে ২০২৬ সালের ১ জুলাই।

তবে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় একবারে পুরো কাঠামো বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে তা কার্যকর করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে।


প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় প্রথম পর্যায়ে মূল বেতনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি আনা হতে পারে। পরবর্তী দুই অর্থবছরে ধীরে ধীরে বাকি বেতন সমন্বয় এবং বিভিন্ন ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।


সূত্র জানায়, বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ ও নিম্ন গ্রেডের বেতনের ব্যবধানও কিছুটা কমিয়ে আনার প্রস্তাব রয়েছে।


আলোচনায় থাকা খসড়া অনুযায়ী, সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে। একইভাবে উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতনেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিভিন্ন গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


এছাড়া নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের জন্য নতুন যাতায়াত ভাতা চালুর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। ফলে তাদের মাসিক আয় আরও বাড়তে পারে।


নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক পেনশনভোগীও এর সুবিধা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে কম পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্তদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হতে পারে।
বর্তমানে চালু থাকা মহার্ঘ ভাতার সঙ্গে নতুন পে-স্কেলের সমন্বয় কীভাবে করা হবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি কাজ করছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়বে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় কিছুটা স্বস্তি মিলবে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর