আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও
'জুলাই সনদ' ভিত্তিক গণভোট উপলক্ষে দেশজুড়ে টানা ছুটির আমেজ শুরু হয়েছে।
সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতেই সরকার এই দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা করেছে।
১. সাধারণ ছুটির সময়সূচি (টানা ৪ দিন)
সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসের জন্য:
১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): সাধারণ ছুটি (আজ থেকে শুরু)।
১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি।
১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ও শনিবার): নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি।
ফলাফল: অফিস-আদালত টানা ৪ দিন বন্ধ থাকছে।
২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি (টানা ৫ দিন)
স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ক্ষেত্রে এই ছুটি আরও একদিন বেশি:
১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি: নির্বাচন ও সাপ্তাহিক ছুটি।
১৫ ফেব্রুয়ারি (রবিবার): ‘শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত’ উপলক্ষে অতিরিক্ত ছুটি।
ফলাফল: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো টানা ৫ দিন পর ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) খুলবে।
৩. দোকানপাট ও শপিং মল (২ দিন বন্ধ)
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী:
১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার): সারা দেশের সব দোকানপাট, বিপণিবিতান ও শপিং মল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
শ্রমিক-কর্মচারীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতেই এই বাণিজ্যিক স্থবিরতা।
একনজরে বিশেষ তথ্যসমূহ
শিল্পাঞ্চল: কারখানা শ্রমিকদের জন্য গত ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিশেষ ছুটি ছিল।
ব্যাংকিং সেবা: ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব ব্যাংক বন্ধ থাকলেও এটিএম (ATM) এবং অনলাইন ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০ টা থেকে বিকেল ৪:৩০ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
আপনি যদি ভোটার হয়ে থাকেন, তবে এই দীর্ঘ ছুটির উদ্দেশ্য সফল করতে আপনার নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। যাতায়াতের ক্ষেত্রে সীমিত যানবাহন চলাচলের বিষয়টি মাথায় রাখুন।
এসআর
মন্তব্য করুন: