ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য এবং দৈনিক দিনকালের নগর সম্পাদক আলী মামুদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) দুপুরে ডিআরইউ প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা শেষে ডিআরইউ’র সহ-সভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা মরহুমের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শেষ বিদায় জানান।
এ সময় ডিআরইউ’র যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া, কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মাজাহারুল ইসলামসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন এবং সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কুদরাত-ই খোদা। তারা মরহুমের কর্মজীবন ও সাংবাদিকতায় অবদানের কথা স্মরণ করেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের দোতলার একটি বাথরুম থেকে অচেতন অবস্থায় আলী মামুদকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। রাজশাহীর পবা উপজেলায় নিজ গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
আলী মামুদের মৃত্যুতে ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, ১৯৫৬ সালে রাজশাহীর পবা উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন আলী মামুদ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন। রাজশাহীর দৈনিক বার্তা পত্রিকায় তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয়।
পরবর্তীতে ঢাকায় এসে দৈনিক দিনকালে যোগ দিয়ে দীর্ঘদিন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি পত্রিকাটির নগর সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: