আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন এক
অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস এই প্রত্যাশার কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনের প্রধান দিকসমূহ:
অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন: ইইউ একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সর্বজনগ্রাহ্য নির্বাচন প্রত্যক্ষ করতে চায়। ইজাবসের মতে, এবারের নির্বাচনী পরিবেশ আগের তুলনায় ইতিবাচক এবং আশাব্যঞ্জক।
নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ: ইইউ মিশন ইতোমধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছে। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার কথা উল্লেখ থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
অন্তর্ভুক্তি ও সমতা: বিশেষ করে নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিচ্ছে ইইউ। তারা মনে করেন, প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি জরুরি।
প্রাথমিক প্রতিবেদন: নির্বাচনের দুই দিন পর, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ইইউ তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।
ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশনের কার্যক্রম এক নজরে
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০০৮ সালের পর এই প্রথম বাংলাদেশে একটি পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠিয়েছে।
মিশন সংক্রান্ত তথ্য বিস্তারিত
মোট পর্যবেক্ষক প্রায় ২০০ জন (সব ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রসহ কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড)
মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক দেশের ৬৪ জেলায় কাজ করছেন।
মূল লক্ষ্য নিরপেক্ষতা ও হস্তক্ষেপহীনভাবে আইনি কাঠামো এবং ভোট গ্রহণ পর্যবেক্ষণ।
চূড়ান্ত প্রতিবেদন নির্বাচনের প্রায় দুই মাস পর সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: