গতকাল শুক্রবার ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর আজ
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই রাজধানীর শাহবাগ, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ও কাকরাইল এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষের চলাচল অনেকটাই কমে গেছে।
বর্তমান পরিস্থিতির মূল পয়েন্টগুলো:
অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন: সকাল থেকেই ডিএমপির বিপুল সংখ্যক সদস্য এসব এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন।
প্রস্তুত জলকামান: নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাস্তায় সারি সারি জলকামান সাজিয়ে রাখা হয়েছে, যদিও চলাচলের জন্য কোনো ব্যারিকেড দেওয়া হয়নি।
যাত্রী ও পথচারী স্বল্পতা: সংঘর্ষের আতঙ্কে সাধারণ যাত্রীরা এই রুটটি এড়িয়ে চলছেন। যারা যাতায়াত করছেন, তাদের মধ্যেও গভীর উদ্বেগ দেখা গেছে।
গতকাল শুক্রবার ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে করার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন 'যমুনা' অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি ছিল।
সংঘর্ষের সূত্রপাত: বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।
পুলিশের পদক্ষেপ: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার শেল এবং লাঠিপেটা করে।
আহত: সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র ফাতিমা তাসনিম জুমা ও সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী এবং এবি পার্টি। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ঢাকা মেডিকেল কলেজে আহতদের দেখতে যান এবং পুলিশের এই ভূমিকার প্রতিবাদ জানান।
অন্যদিকে, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা অভিমুখে আইন ভঙ্গ করে মিছিল যাওয়ার চেষ্টা করায় পুলিশ বাধা দিতে বাধ্য হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: