শেরপুরে সাম্প্রতিক সংঘর্ষে একটি রাজনৈতিক দলের একজন কর্মীর প্রাণহানির ঘটনায় অন্তর্বর্তী প্রশাসন গভীর দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সরকার বলছে, যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও প্রাণহানি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিপন্থী এবং সম্পূর্ণভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিক্রিয়ায় জানানো হয়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সব রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের শান্ত ও সংযত থাকার নির্দেশনা দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়। সরকার মনে করে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভয়ভীতি, সহিংসতা বা রক্তপাতের কোনো সুযোগ নেই।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শেরপুরের ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে এবং দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
সব রাজনৈতিক দল ও নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং গঠনমূলকভাবে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সুশৃঙ্খল ও শান্ত পরিবেশই একটি সুস্থ গণতন্ত্রের ভিত্তি।
অন্তর্বর্তী সরকার অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: