[email protected] শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৬ ফাল্গুন ১৪৩২

নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ৫:২৭ পিএম

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাংবিধানিক

 গণভোট। এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সেনাসদরে সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।


​প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের মূল পয়েন্টসমূহ:
​ঐতিহাসিক গুরুত্ব: প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এই নির্বাচন হবে দীর্ঘদিনের ভোটাধিকার বঞ্চিত মানুষের আকাঙ্ক্ষার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।
​সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা: তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে বাহিনী অতীতের ন্যায় এবারও তাদের দায়িত্ব সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করবে।


​ভোটারদের নিরাপত্তা: প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া তরুণ এবং দীর্ঘকাল ভোটাধিকার বঞ্চিত বয়স্ক নাগরিকদের জন্য একটি ভয়মুক্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরিতে সশস্ত্র বাহিনীকে প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।
​সক্ষমতা বৃদ্ধি: ড. ইউনূস জানান, সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

ইতোমধ্যে নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার সাথে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং ইতালি, জাপান ও থাইল্যান্ডের সাথে প্রক্রিয়া চলমান।


​মাঠপর্যায়ে বিশেষ নির্দেশনা:
​সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই সভায় ড. ইউনূস স্পষ্ট করে বলেন:
​"মাঠপর্যায়ে প্রতিটি সিদ্ধান্ত হতে হবে আইনসম্মত, সংযত এবং দায়িত্বশীল। সামান্য বিচ্যুতিও যেন জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ন না করে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।


​অভ্যর্থনা ও উপস্থিতি:


​অনুষ্ঠানস্থলে প্রধান উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও)। সভায় তিন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর