বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন দেশের চলমান গণতান্ত্রিক রূপান্তর
এবং আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সাথে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সাথে তার কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ:
ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা হয়:
গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও নির্বাচন: রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন জানান, যুক্তরাষ্ট্র একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা দেখতে চায়।
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ: বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়।
অভিবাসন ইস্যু: সম্প্রতি আলোচিত ‘ভিসা বন্ড’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনথিভুক্ত (আনডকুমেন্টেড) বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট: রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে দুই দেশ একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন উচ্চতা
বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং ঢাকা ও ওয়াশিংটনে ইতিপূর্বে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ক্রিস্টেনসেনের দায়িত্ব পালনের কথা স্মরণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন রাষ্ট্রদূতের মেয়াদে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
সাক্ষাৎকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সেলর এরিক গিলানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: