[email protected] শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৬ ফাল্গুন ১৪৩২

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে ভবিষ্যতের জন্য এক অনন্য আদর্শ: প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ৬:১৪ পিএম

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং

 ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে গণভোটকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে এই সভা সম্পন্ন হয়। বৈঠকে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

​প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা
​নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার অভাবনীয় কিছু প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে:
​বডি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরা: প্রথমবারের মতো নির্বাচনের মাঠ মনিটরিংয়ে বডি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।

​সরাসরি পর্যবেক্ষণ: কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে পুরো দেশের নির্বাচনী পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

​ড্রোন ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং: র‍্যাব ও পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রয়োজনে ড্রোন ব্যবহার করা হবে এবং বডি ক্যামেরার মাধ্যমে মুহূর্তের ঘটনা রেকর্ড করা হবে।

​আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি
​শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে:

​সেনাবাহিনীর ভূমিকা: এবারের নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রের ভেতরেও প্রবেশ করতে পারবেন।

​বিশাল জনবল: নির্বাচনের নিরাপত্তায় প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।

​অস্ত্র উদ্ধার: আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া অস্ত্রের ৬২.৪ শতাংশ এবং গোলাবারুদের ৫২ শতাংশ এরই মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে।

​প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা
​বৈঠকে ড. ইউনূস বলেন, "২০২৬ সালের নির্বাচন যেন এমন একটি দৃষ্টান্ত হয় যা ভবিষ্যতে সকল নির্বাচনের জন্য আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হবে।" তিনি আরও জানান, দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষকরা এই নির্বাচন নিয়ে অত্যন্ত আগ্রহী, তাই সব বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করতে হবে।

​নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
​অংশগ্রহণ: নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

​গণভোট: নির্বাচনের দিনই 'জুলাই জাতীয় সনদ' বা সংবিধান সংস্কারের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

​প্রচারণার সময়: বুধবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর