সৌদি আরবের ভূখণ্ড ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন
দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং কূটনৈতিক উপায়ে উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সৌদি শুরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের ৩য় বর্ষের উদ্বোধনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
সৌদি যুবরাজের বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ:
নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা: উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় কৌশলগত সহযোগিতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন তিনি। একই সাথে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যকার 'মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি'র গুরুত্ব তুলে ধরেন।
জ্বালানি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা: বিশ্বব্যাপী চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যেও তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে সৌদি আরব ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক জলপথকে রাজনৈতিক চাপ মুক্ত রাখতে 'বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট' গঠনের উদ্যোগের কথা জানান যুবরাজ।
গাজা ও আন্তর্জাতিক অবস্থান: গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। ইয়েমেনের বৈধ সরকারকে সমর্থন এবং সুদানের ঐক্য রক্ষায় সৌদির অবস্থান বহাল থাকবে বলে জানান তিনি।
অর্থনৈতিক অগ্রগতি ('ভিশন ২০৩০'): 'ভিশন ২০৩০'-এর ৯৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা ইতিমধ্যে অর্জিত হয়েছে। ২০১৬ সালের তুলনায় তেলবহির্ভূত রপ্তানি ১৫৫ শতাংশ বেড়েছে এবং অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের অবদান ৫১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই): ২০২৬ সালকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বছর হিসেবে উল্লেখ করে এআই প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে বিশ্ব নেতৃত্ব অর্জনের লক্ষ্যের কথা জানান যুবরাজ সালমান।
এসআর