[email protected] শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

গাজা পুনর্গঠনে ৫০০ কোটি ডলার সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৮:৩৬ এএম

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্নির্মাণ ও মানবিক সহায়তার লক্ষ্যে গঠিত

 আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা ‘বোর্ড অব পিস’ ৫০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ সহায়তার অঙ্গীকার করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এই ঘোষণা দেন। আগামী বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে এই বোর্ডের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এই অর্থ সহায়তার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।


​‘বোর্ড অব পিস’ ও গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনা
​মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফার শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বোর্ড গঠিত হয়েছে। এর প্রধান দিকগুলো হলো:


​আর্থিক লক্ষ্য: গাজা পুনর্গঠনে প্রাথমিকভাবে ৫০০ কোটি ডলারের (৫ বিলিয়ন) বেশি অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সদস্য রাষ্ট্রগুলো।


​নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা: গাজায় শান্তি বজায় রাখতে জাতিসংঘ-অনুমোদিত একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশে কয়েক হাজার কর্মী নিয়োগের অঙ্গীকার করা হয়েছে।


​শর্ত: এই সহায়তা ও শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হামাসকে অবশ্যই সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে এবং পূর্বের চুক্তিগুলো মেনে চলতে হবে।

​২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোস সম্মেলনের সময় এই বোর্ডটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।


​চেয়ারম্যান: ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
​নির্বাহী কমিটি: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জ্যারেড কুশনার, স্টিভ উইটকফ, ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গাসহ বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এই কমিটিতে রয়েছেন।


​সদস্য রাষ্ট্র: আর্জেন্টিনা, মিসর, সৌদি আরব, তুরস্ক, কাতার, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানসহ ২০টিরও বেশি দেশকে এই বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

​২০২৪ সাল থেকে চলমান যুদ্ধের ফলে গাজার অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের মতে, গাজা পুনর্গঠনে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। ট্রাম্পের এই ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্যোগটি মূলত গাজা শাসন ও উন্নয়নের জন্য একটি নতুন আন্তর্জাতিক তদারকি কাঠামো তৈরির চেষ্টা, যাকে কেউ কেউ জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবেও দেখছেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর