[email protected] মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

রিমান্ড শেষে কারাগারে অভিনেতা যাহের আলভী, তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি পুলিশের

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০২৬ ৪:০৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি

স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে ছোটপর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া, যিনি যাহের আলভী নামে পরিচিত, তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতকে জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় মামলার তদন্তে সহায়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে তাকে হাজির করা হলে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

 

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে এবং প্রাথমিকভাবে ঘটনার সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে। তদন্ত এখনও চলমান থাকায় তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়।

 

শুনানির সময় যাহের আলভীর পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। বাদীপক্ষের আইনজীবী আদালতের কাছে মামলায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা থাকলে তা লিখিতভাবে জানানোর অনুরোধ করেন। এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে আদালত জানান।

 

বিচারক আলভীর কাছে কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চাইলে তিনি ‘না’ বলে জানান। রিমান্ডে কোনো নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি সেটিও অস্বীকার করেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

এর আগে গত ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন যাহের আলভী। আদালত সেই আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান। পরে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চাইলেও আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অন্যদিকে, একই মামলায় গত ৪ জুন আত্মসমর্পণের পর জামিন পান আলভীর মা নাসরিন সুলতানা।

 

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আলভীর স্ত্রী ইকরাকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে।

 

ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় সেদিন রাতেই তার বাবা কবির হায়াত খান মামলা করেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণে তার মেয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।

এসআর

সম্পর্কিত খবর